বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শুরম্ন থেকেই একদিকে যেমন সরকারি বরাদ্দ প্রতিবছর ক্রমাগত কমেছে, অন্য দিকে নিজস্ব আয়ের নামে ভর্তি ফি-সেমিস্টার ফি-উন্নয়ন ফিসহ নানা ফি ক্রমাগত বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার বিরম্নদ্ধে ছাত্র আন্দোলনও সংঘটিত হয়েছে নানা সময়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় ধারণার পরিপন্থি ২৭/৪ ধারা বাতিলসহ অন্যান্য সমস্যা-সংকট নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিল। ÿুব্ধ উপাচার্য এ আন্দোলনের জন্য দায়ী করেছেন ছাত্র ফ্রন্টকে।
অব্যাহত আন্দোলনের চাপে ৬ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ২৭/৪ ধারার কালো আইন বাতিল করার ঘোষণা দেন। সরকারের এই পিছু হটা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আন্দোলনের বিজয় বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করে শিÿার সকল দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে এই দাবিতে চলমান শিÿা আন্দোলনকে বেগবান করবে।











